খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে জাতীয় যুবশক্তি আয়োজিত এক যুব সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই বিএনপি বর্তমান ক্ষমতায় এসেছে বলে এ সময় অভিযোগ করেন তিনি। দেশের স্বার্থরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নদীগুলোর পানির হিস্যা আদায় না হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দেশের নদ-নদীতে যদি পর্যাপ্ত পানি না আসে, তবে বাংলাদেশে কোনো ভারতীয় পণ্য প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কোনো ধরনের করিডর বা ট্রানজিট সুবিধা দেওয়া হবে না এবং দেশের ভেতরে কোনো ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলও সম্প্রচার করতে দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প নিয়ে জাপানের সঙ্গে সরকারের চলমান আলোচনা ও চুক্তির বিস্তারিত বিষয়গুলো অবিলম্বে জনসাধারণের সামনে স্পষ্ট করার জোরালো দাবি জানান তিনি।

রাষ্ট্রের সংস্কার এবং সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে টালবাহানার অভিযোগ তুলে এই রাজনৈতিক নেতা বলেন, ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সময়কার সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চেষ্টা চলছে। আগামী নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, সরকার গঠিত নতুন কোনো কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নেবে না। অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জনগণের গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের কাঠামোগত পরিবর্তন নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। বর্তমান সরকারের বিগত আট মাসের কার্যক্রমে তরুণদের কর্মসংস্থান ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। পোশাকশ্রমিকদের চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তিনি পুলিশি দমনপীড়ন বন্ধ এবং আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

advertisement
advertisement

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের বাদশা হিসেবে পরিচিত শাহরুখ খান শুধু অভিনয়ের মাধ্যমেই নয়, বরং ব্যবসায়ের দূরদর্শিতা এবং নানামুখী বিনিয়োগের জোরে বিশাল এক অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতে রাজত্ব করার পাশাপাশি তিনি নিজের স্টারডমকে সফলভাবে বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডে রূপান্তর করেছেন। সম্প্রতি হুরুন ইন্ডিয়া প্রকাশিত এক আর্থিক প্রতিবেদনে বলিউড এই সুপারস্টারের তাক লাগানো সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, শাহরুখ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি ছুঁয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার সমান। কেবল রূপালি পর্দার পারিশ্রমিক নয়, তার এই অভাবনীয় আর্থিক সাফল্যের পেছনে রয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং লাভজনক সব উদ্যোগ। অভিনয় ছাড়িয়ে প্রযোজনা, খেলাধুলা ও বিপণন খাতে তার বহুমুখী বিনিয়োগ তাকে বিনোদন জগতের অন্যতম শীর্ষ ধনীর আসনে বসিয়েছে।

তার এই বিশাল সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, যা চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে শুরু করে ভিএফএক্স বা দৃশ্যমান প্রভাবের কাজের জন্য বেশ নামকরা। এছাড়া তিনি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহ-মালিক, যা বিশ্বজুড়ে তার ব্র্যান্ড ভ্যালু ও মুনাফা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই দলটির ব্যবসায়িক সাফল্য এবং আইপিএলের বাণিজ্যিক বিস্তার তার আর্থিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে।

চলচ্চিত্র এবং ক্রীড়া জগতের বাইরেও আবাসন, আতিথেয়তা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের প্রচারণায় যুক্ত থেকে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন এই অভিনেতা। দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার বিলাসবহুল সম্পত্তি এবং বহুমুখী ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব তাকে সাধারণ একজন তারকার গণ্ডি পেরিয়ে সফল শিল্পপতির মর্যাদায় ভূষিত করেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার এই দূরদর্শী ব্যবসায়িক পদচারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সমুদ্র নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যৌথ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ সফরের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। সুসজ্জিত একটি বাদক দল ঐতিহ্যবাহী সামরিক রীতিতে বাদ্য বাজিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। এ সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের সামরিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনের এই সফরে আসা মার্কিন জাহাজটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মেরি সেনুইত। চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও জাহাজটির অধিনায়ক বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফ্লিটের রিয়ার অ্যাডমিরাল মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এই বৈঠকে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যকার পেশাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আসন্ন এই যৌথ মহড়া সফল করতে চট্টগ্রামে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সোমবার স্কুল অব মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার অ্যান্ড ট্যাকটিকসের অডিটরিয়ামে এই দ্বিপক্ষীয় মহড়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। এতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই মহড়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস ওয়ারিয়র জাহাজের পাশাপাশি একটি পি-৮এ উড়োজাহাজও অংশ নেবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ, কৌশলগত ঘাঁটি, কমডোর স্কোয়াডস কমান্ডের ইউনিট এবং নেভাল এভিয়েশন এই মহড়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

উভয় দেশের নৌবাহিনীর নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ক্যারাট মহড়াটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের নৌসদস্যদের মধ্যে পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সফলভাবে আদান-প্রদান করা। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে উদ্ভূত যেকোনো নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করা এবং যৌথভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এই ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতিও প্রকট আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ল্যানসেট কাউন্টডাউন ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০২৫ সালে দেশের সম্ভাব্য আয়ের তুলনায় প্রায় এক হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি তাপজনিত কারণে গত কয়েক দশকে শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত দশকগুলোর তুলনায় তাপপ্রবাহের সংস্পর্শে আসার হার শিশুদের মধ্যে ১৬২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ১৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে বিগত বছরগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ২৬ বিলিয়নের বেশি শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়েছে, যা দেশের উৎপাদনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বায়ুদূষণও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট সূক্ষ্ম কণাদূষণের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের অকালমৃত্যু ঘটেছে। কেবল ২০২৩ সালেই বায়ুদূষণজনিত কারণে দেশে প্রায় দুই লাখ ৩৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং গৃহস্থালি দূষণ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের কারণে সৃষ্ট এই অকালমৃত্যুর অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাত হাজার ৭৬০ কোটি ডলার, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বড় অংশের সমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কেবল নীতিনির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট গবেষক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, জাতীয় জলবায়ুনীতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে আর্থিক ও কাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে কার্বন নিঃসরণ কমানো, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সীমিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই বলে তারা মত প্রকাশ করেন।