খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ হিসেবে খ্যাত ফিনল্যান্ডে ভালোবাসার মানুষ খোঁজার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির সরকারি পর্যটন সংস্থা ভিজিট ফিনল্যান্ড বিশ্বজুড়ে থাকা অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই দেশ ভ্রমণের আয়োজন করেছে। ফিনিশ সংস্কৃতি, সুস্বাদু স্থানীয় খাবার ও নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই দারুণ অভিজ্ঞতা পেতে অনেকেই এখন থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত মানুষেরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফিনিশ ডিনার ডেট নামক এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের আওতায় সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত মোট ১৬ জন অবিবাহিত অতিথিকে ফিনল্যান্ডে আমন্ত্রণ জানানো হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ভ্রমণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই পুরো সফরে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত খরচ, হোটেল বা আবাসনের ব্যবস্থা, প্রতিদিনের খাবার এবং অন্যান্য সব আয়োজনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিজয়ীরা কোনো প্রকার আর্থিক চিন্তা ছাড়াই দেশটির চমৎকার আবহাওয়া ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

এই ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো দেশটির স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ। হেলসিংকি ও তাম্পেরে শহরের নামী রেস্তোরাঁয় স্থানীয় অবিবাহিত ফিনিশ নাগরিকদের সঙ্গে একই টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন বিদেশি অতিথিরা। দেশটির শীর্ষস্থানীয় শেফদের তৈরি বিশেষ মেন্যুতে স্থান পাবে বুনো মাছ, বিভিন্ন ধরনের বুনো বেরি এবং বন থেকে সংগৃহীত সুস্বাদু মাশরুম। বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি হিমেনেজ জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ডের এই খাবারগুলো মূলত তাদের সুখী জীবনযাপনের সংস্কৃতিরই আসল রূপ ফুটিয়ে তোলে। খাবারের আয়োজনের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে পারে।

এই বিশেষ উদ্যোগের পেছনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ফিনল্যান্ডের জনপ্রিয় একটি ডেটিং প্রবণতা, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় সিঙ্কুকোরি। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায় অবিবাহিতদের ঝুড়ি। দেশটির বেশ কিছু সুপারশপে সিঙ্গেল ক্রেতাদের জন্য গোলাপি রঙের বিশেষ ঝুড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঝুড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা নিজেদের অবিবাহিত পরিচয় প্রকাশ করে সহজেই অন্য মানুষের সঙ্গে কথা বলার বা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। ফিনল্যান্ডের এই সহজ ও সুন্দর সংস্কৃতির আলোকেই মূলত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ডিনার ডেটের আয়োজন করা হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই কমপক্ষে আঠারো বছর বয়সী হতে হবে এবং ফিনল্যান্ড বাদে বিশ্বের যে কোনো দেশের অবিবাহিত নাগরিক হতে হবে। আবেদনের শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশিত হবে একই বছরের ১ ডিসেম্বর। এতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ইংরেজিতে একটি ছোট্ট ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে ডিনার ডেটে সঙ্গীকে কী খাবার খাওয়াতে চান এবং কেন খাওয়াতে চান, সে বিষয়ে উত্তর দিতে হবে। এরপর সেই ভিডিও টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট করতে হবে এবং ভিজিট ফিনল্যান্ডকে ট্যাগ করতে হবে।

advertisement
advertisement

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ও মনোমুগ্ধকর রূপ নিয়ে হাজির হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত তার নতুন কিছু ছবি মুহূর্তেই ভক্তদের নজর কেড়েছে। এই ছবিগুলোতে তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মেজাজে দেখতে পাওয়া গেছে, যা দর্শকদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, জয়া আহসানের পরনে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। তার মাথার ওপর এবং দুই হাতে বেশ কয়েকটি ডিম সাজানো রয়েছে। চারপাশ ঘিরে রয়েছে কিছু জীবন্ত মুরগি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে একটি রঙিন ক্যানভাস। এই পুরো আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, যা বিখ্যাত অ্যানিমেশন চরিত্র মীনার কথা মনে করিয়ে দেয়।

তার এই সৃজনশীল রূপায়ন সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে তার শুভানুধ্যায়ীদের মাঝেও বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কাজের মাধ্যমে বরাবরই নতুনত্ব আনতে পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। তার এমন অদ্ভুত অথচ চমৎকার উপস্থাপন সামাজিক মাধ্যমে দারুণ সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসিত হয়েছে।

ছবিগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। জয়া আহসানের এমন শৈল্পিক অভিব্যক্তি তার ভক্তদের জন্য একটি চমৎকার উপহার হয়ে এসেছে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তার এই ভিন্নধর্মী আয়োজন বিনোদন জগতে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও কাজের অভিজ্ঞতার সুবাদে চিকিৎসাবিজ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ডা. জারিন তাসনিমের। প্রখ্যাত ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি অর্জন করে তিনি বর্তমানে ইউরোপের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন এবং স্পেনের ওভিয়েদো শহরে নিজের নতুন শিক্ষাজীবন শুরু করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অনন্য সুযোগ পেয়ে থাকেন। চিকিৎসাজীবনের ব্যস্ততা ও নানা স্মৃতির বোঝা পেছনে ফেলে তিনি যখন নতুন ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন তাঁর মনে এক মিশ্র অনুভূতির জন্ম হয়েছিল।

পেশাগত জীবনের প্রথম ধাপে কাজের সুবাদে মাঠপর্যায়ের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হন এই চিকিৎসক। ২০২০ সালে ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর তিনি দিনাজপুরে আইসিডিডিআরবির একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে সেভ দ্য চিলড্রেনের হয়ে রংপুরে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কার্যক্রমে অংশ নেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে বুঝিয়ে দেয় যে রোগীকে শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং একজন মানুষ কেন অসুস্থ হচ্ছেন তার পেছনে সামাজিক ও পরিবেশগত কারণগুলোও গভীরভাবে জড়িত। বিশেষ করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর চিন্তাধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেয়।

বাস্তুচ্যুত মানুষের শারীরিক ও মানসিক সংকটের বিষয়টি খুব কাছ থেকে দেখার পর চিকিৎসকের ভূমিকার অর্থ তাঁর কাছে সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি অনুধাবন করেন যে সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করাই তাঁর আসল লক্ষ্য। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ইরাসমাস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিজের অভিজ্ঞতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার মাধ্যমেই তিনি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করতে সক্ষম হন।

স্পেনের ওভিয়েদো দিয়ে এই শিক্ষাযাত্রা শুরু হলেও তাঁর গন্তব্য কেবল একটি দেশে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরবর্তীতে তাঁকে সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটেও পড়াশোনা করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ভিন্ন স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং নতুন শিক্ষকদের সান্নিধ্যে আসার ফলে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আরও প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। চিকিৎসকের পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখেই তিনি এখন বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রমাণভিত্তিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

জাতীয় ডেস্ক: আলজেরিয়ার বাহাত্তরতম বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদল। ঢাকার নিকুঞ্জের লা মেরিডিয়ান ঢাকার স্কাই বলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি এবং তাঁর সহধর্মিণী মেরিয়েম সাইদানি এই বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজক ছিলেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের লেখা একটি বিশেষ চিঠি আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে লেখা ওই চিঠিটি গ্রহণ করেন। দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই পত্রবিনিময় একটি তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জামায়াত আমিরের পাঠানো ওই চিঠিতে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও জোরদার হবে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। রাষ্ট্রদূতও দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আলজেরিয়া সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ছাড়াও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে নুরুন্নিছা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, নাজমুন্নাহার নীলু ও সাবিকুন্নাহার মুন্নি অংশ নেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুরসহ দলটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারাও এই কূটনৈতিক আয়োজনে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন।