খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ক্রসফায়ার শুরু হলে দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবেন না: বিএনপিকে হাসনাত আবদুল্লাহ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ক্রসফায়ার শুরু হলে দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবেন না: বিএনপিকে হাসনাত আবদুল্লাহ

ক্রসফায়ার শুরু হলে দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবেন না: বিএনপিকে হাসনাত আবদুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশ নামক বাহনটির ইঞ্জিন পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। তাই কার্যকর রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া দেশের স্বাভাবিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। যশোর শহরের মুড়লি মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, তারেক রহমানকে একটি ফিটনেসবিহীন গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিরই প্রতিফলন।

বর্তমান সরকারের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যা পুনরায় শুরু করে, তবে ক্ষমতাসীন দলেরই কাউকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাঁর মতে, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িতদের যদি এই ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হয়, তবে তার বড় অংশই পড়বে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর। যদিও দলের সবাই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নন, তবে অপরাধে জড়িতরা সবাই নির্দিষ্ট দলের সঙ্গেই সম্পৃক্ত বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে উল্টো ভিন্নমত দমনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান সংকট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে এই নেতা জানান, তরুণ সমাজ পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কাজের কোনো সংস্থান হচ্ছে না। বিদেশ থেকে কর্মসংস্থানের ভুয়া প্রতিশ্রুতি প্রচার করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপান বা মালয়েশিয়া থেকে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো ভিত্তি মেলেনি। সাধারণ মানুষ দুবেলা অন্ন ও নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা চায় উল্লেখ করে তিনি সরকারকে হুঁশিয়ার করেন যে, দাবি পূরণ না হলে জনগণ ফের রাজপথে নেমে আসবে।

রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের আগে নানা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ব্যাংকিং খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এখনো প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ চলছে। সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের মতো রাষ্ট্রী ব্যাংকগুলোতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লোক বসানো হলেও ঋণখেলাপিদের নিয়ন্ত্রণ করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে ওই পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

advertisement
advertisement

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

জাতীয় ডেস্ক: সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবেশবান্ধব এবং স্বল্পগতির তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই যুগান্তকারী নীতিমালার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারার ক্ষমতাবলে এই নীতিমালা কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের অগোছালো যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে নিবন্ধন বা নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা শহরের সড়কে চলাচল করতে পারবে না। দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার যানের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যানের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি দশ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি যানের ফিটনেস সনদের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে এবং একজন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচটি যানের নিবন্ধন নিতে পারবেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি নিবন্ধিত যানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রতিটি যানের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে বারো বছর। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় পঁচিশ কিলোমিটার বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, প্রার্থনালয় এবং জনবহুল এলাকায় গতি কমিয়ে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় পনেরো কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে।

নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু সড়কে এই যানগুলোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সড়ক, প্রধান বাস রুট, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ এলাকায় এগুলো চলতে পারবে না। পাশাপাশি এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত যান অন্য কোনো সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ চার্জিং এবং যত্রতত্র চলাচল বন্ধের মাধ্যমে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

রাজনীতি ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মাদক সেবন করে মাতলামি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে স্থানীয় কৃষক দলের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি রাতে উপজেলার ব্যস্ততম তাহিরপুর বাজারের নৌকাঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান কবির এবং একই কমিটির নেতা আকবর আলী। জনসমক্ষে তাদের এই অপকর্মের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই দুই রাজনৈতিক নেতা অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় তাহিরপুর বাজারে অবস্থান করে অসংলগ্ন আচরণ করতে থাকেন। তাদের হট্টগোল ও মাতলামির ফলে বাজারে যাতায়াতকারী সাধারণ ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন। বাজারের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং জনজীবন এর ফলে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাদের এই কুরুচিপূর্ণ ও উশৃঙ্খল আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে খবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

স্থানীয় লোকজনের আরও অভিযোগ রয়েছে যে, অভিযুক্ত এই দুই নেতা এর আগেও বহুবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাজারে এসে এ ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তাদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনতা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান যে, মাদক সেবন করে জনসমক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রাথমিক অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ের একটি উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও এর ফলাফল প্রকাশের আগেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নানা অনিয়মের জোরালো অভিযোগ তোলা হয়। দলটির তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, ভোটগ্রহণের সময় ব্যাপক জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং তাদের নির্ধারিত পোলিং এজেন্টদের শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতেই নির্বাচনের দিনেই একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জামায়াত।

তবে নির্বাচনের মাঠের এই পরিস্থিতির বিপরীত চিত্র তুলে ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি জামায়াতের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী আচরণের গুরুতর অভিযোগ এনেছে। এনসিপির নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচন চলাকালে ও ফলাফল আসার আগে জামায়াত যে ধরনের কঠোর ভাষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মাঠে নেমেছিল, পরবর্তীতে তাদের সামগ্রিক কার্যক্রমে তার কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এই ধরনের অবস্থান পরিবর্তনকে রাজনৈতিক অসততা এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির একটি চতুর কৌশল হিসেবে দেখছে এই রাজনৈতিক দল।

এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে জামায়াত শুরু থেকেই জনমনে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলনের কোনো দৃশ্যমান ও সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখা যায়নি। ভোটের মাঠে নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে জামায়াত ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা। নির্বাচনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এমন দায়িত্বহীন ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না বলে তারা মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় এই উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান নির্বাচনী মাঠের পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এর ফলে এক ধরনের অনাস্থা ও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দলগুলোর এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনগুলোর প্রকৃত চিত্র এবং দলীয় সংস্কৃতির আসল রূপ আবারও জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে।