খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

দ্য ডেইলি স্টারের ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে আলোচকেরা। রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অব্যবস্থাপনাপূর্ণ নগরায়ণ, করপোরেট মুনাফার লোভ এবং ভূমির মাত্রাতিরিক্ত বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে ঢাকা দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছেন নগর–পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা। তাঁদের অভিমত, জনকল্যাণকে গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় নগরীর পরিবেশ, জলাধার ও সামগ্রিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিপর্যস্ত হচ্ছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে পত্রিকাটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। পর্বটি পরিচালনা করেন দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শায়ের গফুর মন্তব্য করেন, জমির অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিকীকরণের কারণেই ঢাকা বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, যা কর্তৃপক্ষের পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রসার পেয়েছে। এই বাণিজ্যিকীকরণের রাশ না টেনে বাসযোগ্য নগর গড়ার কথা বলা স্পষ্টতই পরস্পরবিরোধী। একই সুর তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নগর–পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বিগত তিন দশকে ঢাকাকে স্রেফ একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। নগর–পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ—সবখানেই জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে করপোরেট মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবস্থার অসঙ্গতি তুলে ধরে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) উপপরিবহন পরিকল্পনাবিদ ধ্রুব আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি টেকসই কাঠামোর বদলে বিচ্ছিন্ন ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। এমনকি জাতীয় নগর পরিবহন নীতিমালায় পথচারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও পরিবহন পরিকল্পনার মোট বাজেটের ১ শতাংশেরও কম অর্থ তাঁদের সুবিধার জন্য খরচ করা হয়।

advertisement
advertisement

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

ফিচার ডেস্ক: কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই বাজার থেকে একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই সবুজে ঘেরা বৈদ্যেরবাজার সিংহীমারী গ্রামে কান পাতলে ভেসে আসে শিশুদের কণ্ঠে লালনগীতির সুর। স্থানীয় সংগীতজ্ঞ নারায়ণ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে নিয়মিত বসে এই লোকসংগীতের আসর, যা স্থানীয়ভাবে সেবালয় গুরুগৃহ হিসেবে পরিচিত। এখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকবাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কচিকাঁচাদের গান শেখানোর এক অনন্য কর্মযজ্ঞ চলছে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে দীর্ঘ এক দশক ধরে এই উদ্যোগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সেবালয় গুরুগৃহ ছাড়াও মায়ের তরী নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বর্তমানে মোট নয়টি গুরুগৃহ পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি ছুটির দিনে শিশু-কিশোরদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দোতারা, একতারা, বাঁশিসহ বিভিন্ন লোকবাদ্যযন্ত্র ও লোকসংগীতের তালিম দেওয়া হয়। নরওয়ের লোকগবেষক উয়েরা সেথেরের অনুপ্রেরণায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতিসেবীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। মূলত গ্রামীণ সংস্কৃতির গভীর জীবনদর্শন ও মানবিক শিক্ষা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই গুরুগৃহগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলেও অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর বড় চ্যালেঞ্জ। বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ, মেরামত এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নানামুখী অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আয়োজকদের। তা সত্ত্বেও গুরুদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এই লোকসংগীতের চর্চা থেমে থাকেনি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।

মায়ের তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রান্তিক ও অবহেলিত প্রবীণ শিল্পীদের জন্য একটি আনন্দ আশ্রম প্রতিষ্ঠা, উত্তরাঞ্চলের লোকসংগীত ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ লোকসংগীত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে। সংগঠকদের মতে, লোকসংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতে চলমান সংকট নিরসনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হলেও রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক বিক্ষোভ এবং ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এমন এক অস্থির ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে গত রোববার রাতে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকদের এই বৈঠকে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনের কারণ এবং এর নেপথ্য চক্রান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সরকারের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী অংশ নেন, যার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শ্রমমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে মূলত শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানানো হয় যে, সাধারণ শ্রমিকদের অসন্তোষকে পুঁজি করে এবং তাদের কাঁধে ভর দিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা ও ভাংচুরের ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের মতে, পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র চলছে এবং এর পেছনে ওই রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মন্ত্রীরা এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণ করার এবং যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সহজে শান্ত হচ্ছে না। সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকলেও স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ের মূল চালিকাশক্তি এই খাতটি বর্তমানে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন একদিকে যেমন শ্রমিকদের দাবি দাওয়া পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি এই নাশকতার পেছনে জড়িত কুশীলবদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও জোরদার করেছে।

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলা ও শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারের নীতিনির্ধারকদের নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের শিল্পকারখানা ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষা করা বর্তমান প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করা হবে না। দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন সচল রাখতে প্রশাসনের সকল বিভাগকে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন যে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ কলকারখানা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দিতে দেশের প্রতিটি নাগরিককেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে কোনো মহল যেন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে না পারে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। মন্ত্রীর মতে, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এই শিল্পখাত, তাই যেকোনো মূল্যে এর নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শিল্পাঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মালিক, শ্রমিক ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই বৈঠকে।

এদিকে আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, একটি বিশেষ চক্র বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল ও বেকায়দায় ফেলতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তবে এই ধরনের দেশবিরোধী ফ্যাসিবাদী ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা দেশের অগ্রগতির পথে অন্তরায়। এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশের চলমান নানা সমসাময়িক ইস্যু এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে পোশাক খাতের সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন এবং মিরপুর এলাকার অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। উক্ত বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সরকারের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা বৈঠকে অংশ নেন।