খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের কোনো সরাসরি আইনি ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আইনি ভিত্তি না থাকলেও এই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি এবং এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই প্রসঙ্গটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে যে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়েছে, তার কি আসলেই কোনো আইনি ভিত্তি রয়েছে? এর উত্তর হলো নেই। কিন্তু এর মাধ্যমে যে জাতীয় রাজনৈতিক সমঝোতা অর্জিত হয়েছে, তা যেকোনো সাধারণ আইনি ভিত্তির চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

এই সনদের আইনি স্বীকৃতির পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, সাধারণ মানুষ এই সনদটি আন্তরিকভাবে চায় কি না এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে এসে এটিকে আইনি বৈধতা দেওয়া নিয়ে নানামুখী বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে বিষয়টি একটি সুনির্দিষ্ট এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত করার অপরিহার্যতা দেখা দিয়েছিল, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, সনদটিকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য সে সময় বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। তিনি সেদিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তারা তখন সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে আর কেউ তাতে রাজি হননি। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হলে আদালতও এই বাড়তি দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করে জানায় যে এটি মূলত একটি রাজনৈতিক বিষয় এবং রাজনৈতিকভাবেই এর সুরাহা করা উচিত।

advertisement
advertisement

ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদ রোধে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরশাসক বা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার উত্থান রোধ করতে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশের সংবিধান সংশোধনের কাজটি ব্যাপক রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতন্ত্রকে সুরক্ষার জন্য বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা, একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার স্থায়ী আইনি রূপ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন সত্তা অপরিহার্য। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কার্যকর সব তদারকি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে আয়োজিত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মতামত তুলে ধরেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।

আলোচনায় অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুনির্দিষ্ট বিধান থাকার পরও ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমেই মূলত দেশে সাংবিধানিক সংকট এবং স্বৈরতন্ত্রের বীজ রোপিত হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরবর্তীতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করার প্রক্রিয়াটিকেও তিনি গণতন্ত্র ধ্বংসের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন, যা শেষ পর্যন্ত চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করেছিল।

ভবিষ্যতের রাষ্ট্র কাঠামো নিয়ে রূপরেখা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান যে, নতুন রাজনৈতিক ধারায় জনগণের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারকদের জবাবদিহিও সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় আনতে হবে যাতে কোনো একক প্রতিষ্ঠান অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার অধিকারী হতে না পারে। এছাড়া উচ্চকক্ষ চালুর বিষয়টি ছাড়াও নির্বাচন ব্যবস্থায় সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব এবং গণভোটের বিধান চালুর ক্ষেত্রে বিরোধী দলসহ সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর তাগিদ দেন তিনি।

বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন যে প্রশাসন কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা বিভাজনের পক্ষে নয়। জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং তরুণ সমাজের প্রত্যাশাকে পুরোপুরি ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সব রাজনৈতিক দলসহ আপামর জনসাধারণের পারস্পরিক ঐক্য একান্ত প্রয়োজন। আলাপ-আলোচনা ও রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই কেবল একটি টেকসই ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

জাতীয় ডেস্ক: ছেলের উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা থেকে রাজধানীর ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন এক সংগ্রামী মা। স্বামীর সীমিত আয়ের সংসারে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ছেলেকে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়ার পণ করেছিলেন। রাজধানীর একটি ছোট সাবলেট বাসায় থেকে মা ও ছেলে জীবনের নানা সংগ্রাম মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে থাকেন। মায়ের এই অদম্য জেদ এবং সীমাহীন ত্যাগের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একমাত্র সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলা।

পরিবারের এই কঠিন লড়াইয়ের কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান মিলেছে সাম্প্রতিক প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে। মর্যাদাপূর্ণ নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল তথা জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মোহাম্মদ জুবায়ের ইসলাম হামিদ। ফলাফল প্রকাশের পর এই আনন্দের মুহূর্তটি মা ও ছেলের বিগত দিনের সব কষ্ট ও না পাওয়ার বেদনাকে এক নিমিষেই মুছে দিয়েছে। সন্তানের এমন সাফল্যের পেছনে মায়ের নিরলস পরিশ্রম ও ধূপের মতো জ্বলে ওঠার গল্প এখন সবার মুখে মুখে।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই জুবায়ের অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষকরা। অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজধানীর জটিল নাগরিক জীবন তাদের জন্য কখনোই সহজ ছিল না, কিন্তু কোনো বাধাই তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। সাবলেট বাসার ছোট্ট একটি ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাতদিন পড়াশোনা করতেন জুবায়ের, আর পাশে থেকে ছায়া হয়ে তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন তার মা। কষ্টের দিনগুলোতে মা কখনোই ছেলেকে বুঝতে দেননি পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা, বরং সবসময় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

উচ্চমাধ্যমিকের এই দুর্দান্ত সাফল্যের পর জুবায়েরের চোখে এখন আরও বড় ও সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন। তিনি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হয়ে দেশের সেবা করতে চান এবং নিজের মায়ের সব কষ্টের ঋণ পরিশোধ করতে চান। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে এলাকাবাসী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও তাকে এবং তার সংগ্রামশীল মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সমাজের সাধারণ মানুষের কাছে এই মা-ছেলের জুটি এখন এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছে, যা প্রমাণ করে যে সততা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে সব প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব।

এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড টুয়েলভ সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে নতুন মুখ খোঁজার উদ্দেশ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রচলিত মডেলিংয়ের ধারার বাইরে গিয়ে বয়সের কড়াকড়ি, উচ্চতা, ওজন কিংবা শারীরিক গঠনের কোনো নির্দিষ্ট শর্ত ছাড়াই এবার যে কেউ মডেল হওয়ার সুযোগ পাবেন। আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের সহযোগিতায় পরিচালিত এই বিশেষ কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ফেস অব টুয়েলভ। এর মাধ্যমে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সম্ভাবনাময় ও সাধারণ ধাঁচের মুখ তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে টুয়েলভের চিফ অপারেটিং অফিসার মতিউর রহমান জানিয়েছেন যে তারা এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাদের পোশাক ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করতে চান, যাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ নিজেদের সহজে মেলাতে পারে। অর্থাৎ ক্রেতারা যেন পোশাকগুলো দেখে বুঝতে পারেন যে এগুলো শুধু নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক মাপের মানুষের জন্য নয়, বরং যে কেউ তা স্বচ্ছন্দে পরতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিযোগীদের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি দুই বছরের একটি এক্সক্লুসিভ চুক্তি সম্পন্ন করা হবে।

চুক্তির আওতায় নির্বাচিত মডেলরা টুয়েলভের বিভিন্ন প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইন এবং পণ্যের ফটোশুটে নিয়মিত অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তারা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেতন লাভ করবেন, যা মডেলিং পেশায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। এ ছাড়া ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে প্রতি মৌসুমে নির্বাচিত মডেলদের আকর্ষণীয় ফ্যাশনপণ্য উপহার দেওয়া হবে। এমনকি মডেলদের পরিবারের সদস্যরাও কেনাকাটায় বিশেষ ছাড়ের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের জন্য নির্বাচিত মুখগুলোর বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা পরিচালনা করবেন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব আজরা মাহমুদ। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারীরা পেশাদার মডেলিং ও কনটেন্ট তৈরির ওপর কারিগরি জ্ঞান অর্জন করবেন। পাশাপাশি তাদের জন্য ফিটনেস ও গ্রুমিংয়ের সুব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত নিবন্ধন ফরম পূরণ করার মাধ্যমে খুব সহজেই এই অনন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।