খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর আজিমপুর এলাকার সরকারি কোয়ার্টার বা ফ্ল্যাটগুলো খালি করার জন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সেখানে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা তীব্র অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন। আকস্মিক এই নোটিশ পাওয়ার পর থেকে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে তাদের অনেকেরই ফাইনাল পরীক্ষা দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিবর্তে এখন তাদের বাসা খোঁজা এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, যা তাদের একাডেমিক ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী মূল্যের এই আবাসনগুলোতে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছিলেন এই শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হঠাৎ করে ফ্ল্যাট ছাড়ার এই তাগাদা আসায় তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে এমন আকস্মিক উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীরা।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আরও কিছু সময় বাড়ানোর আবেদন জানানোর কথা ভাবছেন। তারা আশা করছেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে অন্তত পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত ফ্ল্যাটগুলোতে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের বাড়তি দুশ্চিন্তা ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

advertisement
advertisement

আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক: আন্দোলনের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সম্প্রতি রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে কেবল আন্দোলনের মাধ্যমে কখনো সরকার গঠন করা সম্ভব নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র বৈধ ও গণতান্ত্রিক পথ হলো নির্বাচন। বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে তারা বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নূরুল ইসলাম মনি বলেন, যদি কোনো কারণে দেশের জনগণ বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট না হয়, তবে তারা আগামী নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নতুন সরকার বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। গণতান্ত্রিক ধারা ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও পারস্পরিক বিরোধ বা সংঘাতের পথ বেছে নিলে তা তৃতীয় পক্ষের সুবিধা করে দিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। নিজেদের গৃহবিবাদের সুযোগ বাইরের কেউ যেন নিতে না পারে, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অত্যন্ত সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার তাগিদ দেন জাতীয় সংসদের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, গত বাহান্ন বছরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে অনেক মূল্যবান সময় অপচয় হয়েছে, যা এখন আর কাম্য নয়। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এখন হানাহানি ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। বর্তমান প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়ার দায়িত্ব দেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলের আন্দোলন ও জ্বালানি খাতের নানা প্রসঙ্গ টেনে চিফ হুইপ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে সরকার সাধ্যমতো ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি অনুকূলে রাখার চেষ্টা করছে। অথচ একটি কুচক্রী মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলার পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দেশের সব স্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি, দেশের অবহেলিত উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে রোগ নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ত্বকের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষটিকে দেখুন বা লুক বিয়ন্ড মাই স্কিন প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সোরিয়াসিস দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোরিয়াসিস অ্যাওয়ারনেস ক্লাব ও বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিস্ট সোসাইটির উদ্যোগে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শোভাযাত্রার পর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী সোরিয়াসিস রোগ নিয়ে মানুষের ভুল ধারণার কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সোরিয়াসিস কোনো অবস্থাতেই কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরিবারের সদস্য বা সমাজের মানুষ দূরত্ব বজায় রাখেন, যা মোটেও কাম্য নয়। এই ধরনের অবহেলা বা বৈষম্যমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংবেদনশীল ও স্বাভাবিক আচরণ করা উচিত। সাধারণ মানুষের মাঝে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে চিকিৎসক সমাজের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে এই রোগের শারীরিক জটিলতা এবং সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি জানান যে সোরিয়াসিসে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ পরবর্তীতে আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগে থাকেন। প্রাথমিক অবস্থায় এই আর্থ্রাইটিস শনাক্ত করা সম্ভব হলে এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু অবহেলা করা হলে এই আর্থ্রাইটিস মারাত্মক রূপ নিতে পারে এবং মানুষের মেরুদণ্ডসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আক্রান্ত করে চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারে। যুগের অগ্রগতির সঙ্গে এখন চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক আধুনিক পদ্ধতি চলে এসেছে, যা ব্যবহার করে রোগীরা সুস্থ জীবন কাটাতে পারেন।

সেমিনারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ডার্মাটোলজিস্টরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন শতাধিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সেমিনারে অংশ নেন এবং সোরিয়াসিসের আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি ও মেডিক্যাল ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

মোহনগঞ্জে আমন ধানে ফিরেছে প্রাণ, কৃষকের মুখে হাসি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোহনগঞ্জে আমন ধানে ফিরেছে প্রাণ, কৃষকের মুখে হাসি

মোহনগঞ্জে আমন ধানে ফিরেছে প্রাণ, কৃষকের মুখে হাসি

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে চলা অনাবৃষ্টির পর পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতে নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার আমন ধানের মাঠে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় এখানকার উঁচু অঞ্চলের ধানখেতগুলোতে গভীর ফাটল দেখা দিয়েছিল এবং মাটি শুকিয়ে চৌচির হয়ে পড়েছিল। সেসময় ফসল বাঁচাতে স্থানীয় কৃষকদের গভীর নলকূপ ও ডিজেলচালিত পাম্পের ওপর ভরসা করতে হতো, যা তাদের উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হওয়া কয়েক দফা বৃষ্টিকৃষকদের সেই চরম দুর্ভাবনা দূর করে দিয়েছে।

প্রকৃতির এই রূপবদলে উপজেলার মাঘান সিয়াদার, বরতলী বানিয়াহারী, সমাজ সহিলদেও, তেতুলিয়া, বড়কাশিয়া বিরামপুর, গাগলাজুর ও সুয়াইর ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার কৃষিজমি এখন সবুজে ভরে উঠেছে। মাঠে থাকা ব্রি ৩৯, ব্রি ৪৯, ব্রি ২২, ব্রি ৩৪, কালিজিরা ও চিনিগুঁড়া জাতের ধানগাছগুলো বৃষ্টির ছোঁয়ায় দারুণ সতেজ হয়ে উঠেছে। এসব খেতের বেশিরভাগ ধানগাছ বর্তমানে কাইচ থোড় বা শীষ বের হওয়ার আগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সময়মতো বৃষ্টি পাওয়াতে ধানের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো হবে বলে কৃষকেরা আশাবাদী।

খুরশিমুল গ্রামের কৃষক অসিত সরকার জানান, অনাবৃষ্টির কারণে যখন ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে বৃষ্টি হওয়ায় জমিতে নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। ধানগাছগুলো এখন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বড় হচ্ছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি দেখে তারা ভালো ফলনের ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী। উলুকান্দা গ্রামের কৃষক নয়ন মিয়া বলেন, আকাশের এই আশীর্বাদমূলক বৃষ্টিতে তাদের সেচ বাবদ অতিরিক্ত খরচ অনেকাংশে বেঁচে গেছে। মাঠের বর্তমান সজীব রূপ দেখে কৃষকদের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে পুরো নেত্রকোণা জেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোহনগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এই বৃষ্টিকে আমন চাষের জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী ও উপকারী বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, বৃষ্টির এই পানি জমির মাটিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনেছে, যা ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্ট দানা গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।