খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

ধর্ম ডেস্ক: আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত লোককথা বা ধারণা ব্যাপকভাবে চলে আসছে যে কুকুর পোষা নাকি একটি বড় পাপ এবং অন্যদিকে বিড়াল পোষা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের ধারণাগুলোর কারণে সাধারণ মানুষের মনে প্রাণী লালন-পালন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মানুষ না জেনেই এই কথাগুলোকে পরম সত্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং সে অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে।

এই প্রচলিত বিশ্বাসের ফলে বাস্তব জীবনে আমরা দেখতে পাই যে কুকুর দেখলে অনেকে সেটিকে তাড়িয়ে দেয় বা অহেতুক ঘৃণা করে, অথচ বিড়ালকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ঘরের ভেতর লালন-পালন করা হয়। ইসলাম ধর্মে পশুপাখির প্রতি দয়া প্রদর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সব প্রাণীর সঙ্গেই সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে সমাজে এমন পক্ষপাতমূলক ধারণা কীভাবে শিকড় গেড়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শিকার করা, ঘরবাড়ি বা গবাদিপশু পাহারা দেওয়া কিংবা কৃষিকাজের নিরাপত্তার মতো প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে কুকুর পুষতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অকারণে বা কেবল শৌখিনতার বশে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা নিয়ে কিছু বিধিবিধান ও সতর্কতা রয়েছে, যা অনেকেই না বুঝে পুরো বিষয়টিকে নিষিদ্ধ বা পাপ হিসেবে ধরে নেন। অন্যদিকে, বিড়াল পোষার বিষয়ে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কিছু বর্ণনা থাকায় মানুষ এটিকে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্নাত হিসেবে মনে করে থাকেন।

সব মিলিয়ে প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের সঠিক ব্যাখ্যার অভাবে এই ধরনের খণ্ডিত ধারণাগুলো সমাজে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। তাই যেকোনো সামাজিক বা ধর্মীয় বিষয়ে অন্ধভাবে প্রচলিত প্রথার ওপর নির্ভর না করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষকদের মতে, সব সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো এবং বিনা কারণে কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দেওয়াই মূল শিক্ষা।

advertisement
advertisement

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় তেরো লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়েও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফল জানতে পেরেছেন। নির্ধারিত সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এছাড়া মুঠোফোনের বার্তা অপশনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এসএমএস পাঠানোর পর ফিরতি বার্তায় ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরদিন থেকেই উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলাফল নিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর কোনো ধরনের অসন্তুষ্টি থাকলে তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ এবং ফি পরিশোধ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা এই আবেদন সম্পন্ন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন একযোগে এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে সে সময় কিছু এলাকার পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থগিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ হয়। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে এই ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় এখন উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে।

রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার এবং কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধ করতে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে এবার কিউআর কোড সংবলিত নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে পুলিশ প্রশাসন। সম্প্রতি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সদর দপ্তরের আয়োজিত এক কনফারেন্সে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ, পুলিশের বিশেষ শাখাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। তবে বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র নানা কৌশলে বাংলাদেশে এসে সাইবার প্রতারণা, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে কক্সবাজারের একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ বেশ কিছু ইলেকট্রনিক সরঞ্জামসহ একাধিক বিদেশি নাগরিককে আটক করে। পর্যটক বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করে অবৈধভাবে কাজ করার পাশাপাশি এই চক্রের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করছে। সমন্বিত কোনো তথ্যভাণ্ডার না থাকায় এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছিল না, যার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা।

বর্তমানে বাংলাদেশে কত সংখ্যক বিদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন, তার সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ পরিসংখ্যান নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকদের আয়কর দেওয়া ও কাজের বৈধ অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও জরিমানা কম থাকায় অনেকে তা উপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে এ-থ্রি ভিসাধারী বা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় থাকা ব্যক্তিরা সহজে দেশত্যাগ করতে পারায় কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পুলিশের বিশেষ শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, কিউআর কোডভিত্তিক নিবন্ধনের কাজটি সফল হলে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং অপরাধী শনাক্তকরণ অনেক সহজ হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতি দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ড, বেপজা ও বেজা সহ একাধিক কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালন করে আসছে। সম্প্রতি এই প্রক্রিয়াটি আরও কার্যকর করতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামের একটি নতুন দপ্তর গঠন করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকে পুরোনো পাসপোর্ট পরিবর্তন করে পুনরায় দেশে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এই নিবন্ধনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জানান যে, বিদেশি শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণের কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব ক্ষতি রোধ এবং অপরাধ দমন কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সুযোগ তৈরি করলেও একে কেবল স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ দুটোই বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কেননা উত্তরণের সময়সীমা পেছালেও অর্থনীতির ভেতরের দুর্বলতা কিংবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ একটুও কমে যায়নি।

এই বাড়তি সময় কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন একটি বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা। কোন মন্ত্রণালয় বা সরকারি সংস্থা নির্দিষ্ট কত দিনের মধ্যে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে জোগান দেওয়া হবে এবং কাজের অগ্রগতি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে—সেসব বিষয়ে সবকিছু একদম পরিষ্কার থাকতে হবে। কেবল কাগজ-কলমে পরিকল্পনা সীমাবদ্ধ রাখলে এই তিন বছরের অতিরিক্ত সময়ও কোনো উপকারে আসবে না, তাই নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।

অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা কাটানোর অংশ হিসেবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাতের অবকাঠামোগত ঘাটতি দূর করতে হবে, ব্যবসার খরচ কমাতে হবে এবং নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও বাজারের পরিধি বাড়াতে না পারলে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

উত্তরণ প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য চাপ যেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সাধারণ শ্রমিক, নারী এবং তরুণ সমাজের ওপর বেশি না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, সহজে অর্থায়ন এবং নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে বাজারের প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই বাড়তি সময়ের সদ্ব্যবহার করা সম্ভব, যা দিনশেষে দেশের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের টেকসই উন্নয়নে প্রতিফলিত হবে।