খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন সম্প্রতি গুলশানের হোটেল গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই জমকালো আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয় এবং দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন যারা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের হাতে তুলে দেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপ্রতীম জনগণকে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত আন্তরিকতার সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে তারা গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে।

advertisement
advertisement

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম আড়াল করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানের মতে, জাতিসংঘ যে মানবাধিকার কাঠামোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছে, তা মূলত পশ্চিমা শক্তির একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও নৃশংসতা থেকে নজর সরিয়ে নেওয়ার একটি অপকৌশল মাত্র।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ওই প্রতিবেদকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর পেছনে যুক্তরাজ্যের প্রচ্ছন্ন কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের দায় ইরানের ওপর চাপানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহৃত হচ্ছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সম্প্রতি মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপিত হওয়ার পরই মূলত এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান ইরানি নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তবে একই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয় যে, আঞ্চলিক এই ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তেহরান সরকার দেশের ভেতরে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনপীড়ন আরও জোরদার করেছে এবং ধরপাকড় ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূলত বহির্বিশ্বের সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ভিন্নমত দমনের এই সমীকরণকে কেন্দ্র করেই জাতিসংঘ ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে বারবার সতর্ক করে বলা হচ্ছে যে, বাস্তব পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন তৈরি করা হলে তা বিশ্ববাসীর কাছে সংস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আন্তর্জাতিক এই টানাপোড়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ

অর্থনীতি ডেস্ক: তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বা এলপিজির দাম বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় সাত শতাংশ বাড়িয়ে এক হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণ করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। এলপিজির মূল্য পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে সম্প্রতি আয়োজিত দিনব্যাপী এক গণশুনানিতে এই প্রস্তাব পেশ করা হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা এই দাম আরও বাড়িয়ে দুই হাজার ২৩২ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কমিশন এ বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে। চলতি মাসের শুরুতে বিইআরসি এই দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল, যদিও বাজারে প্রতিটি সিলিন্ডার এর চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানিতে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমদের সভাপতিত্বে কমিশনের অন্যান্য সদস্যসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, ক্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, সাধারণ মানুষ যেন যৌক্তিক মূল্যে জ্বালানি পায় এবং ব্যবসায়ীরাও যাতে বড় ধরনের লোকসানের মুখে না পড়েন, সেই দুই দিকের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নিয়মের মতোই প্রতি মাসের শুরুতে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হবে এবং আমদানিকারকদের ব্যাংকিং সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে শুনানিকালে বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষ থেকে সিলিন্ডারের কমিশন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স ও মেঘনা গ্রুপের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের কমিশন বর্তমানের তুলনায় বাড়িয়ে নেওয়ার আবেদন জানায়। একইভাবে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারাও তাদের কমিশন বাড়ানোর জন্য আবেদন করেন। তবে বাজার অস্থিতিশীল করা এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় শুনানিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে অর্থনীতি সমিতির প্রতিনিধি এই বিষয়ে কমিশনের জবাবদিহি প্রশ্নবিদ্ধ করে শুনানি বয়কট করেন।

শুনানির শেষ পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষকে মাফিয়া অভিহিত করা নিয়ে তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এফবিসিসিআইর এক সদস্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ তুলে তাদের মাফিয়া ডন হিসেবে উল্লেখ করলে বিতর্ক শুরু হয়। বিইআরসি চেয়ারম্যান এই শব্দের ব্যবহারে আপত্তি জানালে সাধারণ শ্রোতারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং চেয়ারম্যান ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। এর ফলে কিছুক্ষণের জন্য সভাকক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরবর্তীতে কমিশনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অর্থনীতি সমিতির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি করে ভোক্তাদের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট হিসাব তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?

জাতীয় ডেস্ক: দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় নামজারি প্রক্রিয়া এখনো বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ রয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একজন সাধারণ নাগরিক জমি কেনার পর দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই আইনগতভাবে মালিকানা লাভ করেন। তবে সরকারি রেকর্ডপত্রে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হলে তাকে আলাদাভাবে নামজারির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাধারণ মানুষকে প্রায়ই নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, নামজারির জন্য আবেদন করার পর সেই নথি চলে যায় সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার বা ভূমি কার্যালয়ে। সেখান থেকে আবেদনটি মাঠপর্যায়ের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। এই স্তরগুলো পার হতে বেশ কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়, যা সেবাগ্রহীতাদের জন্য নানা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ডিজিটাল যুগের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আসার পরও ভূমি খাতের অনেক প্রক্রিয়ায় পুরনো পদ্ধতি বজায় থাকায় জনদুর্ভোগ পুরোপুরি কমছে না। ভূমি মালিকদের রেকর্ড হালনাগাদ করার এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার তাগিদ দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা দূর করার বিকল্প নেই।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে পুরো নামজারি প্রক্রিয়াটি আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন মানুষের সময় বাঁচবে, অন্যদিকে অহেতুক ভোগান্তি ও দুর্নীতিও অনেকাংশে কমে আসবে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।