খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় সম্প্রতি উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প জায়গার সন্ধান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি এই পেশার সঙ্গে জড়িত মানুষের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সিটি করপোরেশন। উপযুক্ত স্থান পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে হকারদের নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, হকারদের পুনর্বাসনের জন্য সংস্থার নিজস্ব জমি কিংবা প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে জায়গা নির্ধারণ করা হবে। মিরপুরের হকারদের জন্য শাহ আলী কাঁচাবাজারের আড়ত কমপ্লেক্সের আশপাশের একটি ফাঁকা জায়গা এবং উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার জন্য দিয়াবাড়ির সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই মূল সড়ক বা ফুটপাত দখল করে আর ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পুনর্বাসিত এলাকায় হকারদের কাছ থেকে বাইরের কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে চাঁদা তুলতে না পারে, সেজন্য পুরো বিষয়টি সিটি করপোরেশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় হকারদের কাছ থেকে সামান্য ফি নেওয়া হতে পারে এবং এর বিনিময়ে ওই এলাকার বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব নেবে সিটি করপোরেশন। এছাড়া হকারদের পূর্বের তালিকা যাচাই-বাছাই করে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুন করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।

এর আগে মিরপুর ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। উচ্ছেদের পর এসব এলাকার সড়ক ও ফুটপাত ফাঁকা হওয়ায় সাধারণ পথচারীদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরেছে। এখন হকারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখা—উভয় বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই ডিএনসিসির সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

advertisement
advertisement

জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক: জাপানভিত্তিক প্রযুক্তি ও প্ল্যাটফর্ম প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান উইক করপোরেশন এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ গ্রুপ যৌথভাবে নতুন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর ঘোষণা দিয়েছে। করপোরেট বিজ্ঞাপন, প্রয়োজনীয় সেবা এবং অর্থনৈতিক খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি টোকিওতে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অর্থনৈতিক ফোরামে এই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন এবং জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।

এর আগে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় এখন এই যৌথ উদ্যোগের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এই নতুন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং হিরোশি ওসাকি। পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হওয়ার পর এখন প্ল্যাটফর্মটির পূর্ণাঙ্গ সেবা উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চালুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই উদ্যোগটি মূলত একটি সামাজিক ব্যবসা হিসেবে পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ইতিবাচক বিজ্ঞাপন কৌশলের মাধ্যমে এটি করপোরেট প্রচারণার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টাকে যুক্ত করবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক লাভের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সেবা খাতে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের উন্নয়নে একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা

শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা

বিনোদন ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় একটি ক্যানটিনে আয়োজিত সাধারণ সভায় সংগঠনের সদস্যদের সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সংগঠনের জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের পাশাপাশি বিভিন্ন নিবন্ধিত ব্যান্ডের সদস্যরা উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করেন।

ঘোষিত নতুন কমিটিতে প্রিতম দেব সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুজন দেব দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া সহসভাপতি পদে উত্তম দেব ও দেবজ্যোতি দত্ত শাওন এবং সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৌমিক শেখর রায় সাম্য নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হেলন আমসে, কোষাধ্যক্ষ অনন্ত চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক আবেলসন পথাম এবং সহপ্রচার সম্পাদক পদে রবিনসন মনোর দায়িত্ব পেয়েছেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন কমিটির কয়েকটি পদ আপাতত ফাঁকা রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে নিবন্ধিত ব্যান্ডের যোগ্য সদস্যদের মধ্য থেকে সেসব পদে পদায়ন করা হবে। শ্রীমঙ্গলে ব্যান্ড সংগীতের চর্চা আরও বেগবান করা এবং শিল্পীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই মূলত এই নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের নিয়মিত সংগীতচর্চার সুযোগ সৃষ্টি এবং অনুশীলনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠান চলাকালে অডিটোরিয়ামের গ্রিনরুমের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানানো হয়, যাতে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে এবং শিল্পীরা নির্বিঘ্নে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেন।

সবশেষে উপস্থিত শিল্পীরা শ্রীমঙ্গলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে এবং ব্যান্ডের পারস্পরিক ঐক্য বজায় রেখে সামনের দিনগুলোতে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুদৃঢ় করতে সদস্যদের নিজেদের দায়িত্ব পালনে অধিক যত্নশীল হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।

বিদেশযাত্রার আগে চাকরি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদেশযাত্রার আগে চাকরি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

বিদেশযাত্রার আগে চাকরি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে যাওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট চাকরি, বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তিনি সম্প্রতি নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে বাংলাদেশি তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ‘স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ’ এই বিশেষ সভার আয়োজন করে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, বিদেশে কাজের নামে দেশের কোনো তরুণ যেন কোনো ধরনের প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে আমাদের তরুণ সমাজের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হলে তা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাসে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের কেবল বিদেশ গমন করলেই হবে না, বরং তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ, ভাষাগত দক্ষতা অর্জন, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং সম্পূর্ণ বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। যুবসমাজকে দেশের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন যে, তাদের জন্য সবসময় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার এই পুরো প্রক্রিয়ায় তরুণেরা যেন কোনোভাবেই আর্থিক বা সামাজিকভাবে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজিত এই সভায় জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আবীর হোসেন এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পুসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভার আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় বক্তারা একবাক্যে স্বীকার করেন যে, যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই কেবল তরুণেরা বিশ্ব শ্রমবাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বহির্বিশ্বে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুবসমাজ আরও বেশি কার্যকর ও গতিশীল ভূমিকা রাখতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।