খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইতালির একটি ছোট গির্জা থেকে দুই দশক আগে চুরি হওয়া ১৭ শতকের একটি মূল্যবান চিত্রকর্ম অবশেষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে নেপলসের নিকটবর্তী একটি ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে সাধ্বী সেন্ট অ্যাগনেসের প্রতিকৃতিটি হারিয়ে গিয়েছিল। প্রায় এক মিটার উচ্চতার এই ঐতিহাসিক চিত্রে এক তরুণীকে মেষশাবক ও খেজুরপাতা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত। দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে ছবিটির কোনো সন্ধান মেলেনি এবং এটি চিরকালের মতো হারিয়ে গেছে বলেই ধারণা করা হয়েছিল।

সম্প্রতি একটি প্রদর্শনীতে ছবিটির সন্ধান মিললেও এর রূপ সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছিল। চোরেরা ছবির মূল বিষয়বস্তু পরিবর্তন করে তরুণীর হাতের মেষশাবকের পরিবর্তে একটি পাণ্ডুলিপি বসিয়ে দেয় এবং মাথার চারপাশের জ্যোতির্বলয় মুছে ফেলে। এমনকি ছবির ওপর নতুন রঙের প্রলেপ দিয়ে এর আসল পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল যাতে সাধারণ চোখে কেউ একে চিনতে না পারে। ঐতিহ্যগতভাবে বর্ণনামূলক অনুসন্ধান বা মানুষের চোখের পক্ষে এই পরিবর্তিত রূপ ভেদ করে মূল চিত্রকর্মটি খুঁজে বের করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

এই জটিল সমস্যার সমাধানে ইতালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা পুলিশ ইউনিটের প্রযুক্তিবিদরা সোয়াডস নামের একটি বিশেষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে চালু হওয়া এই এআই প্রযুক্তি শুধু শব্দের ওপর নির্ভর না করে ছবির রং, অবয়ব ও সূক্ষ্ম কারুকার্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। ইতালির পুলিশের বিশাল তথ্যভান্ডারের সঙ্গে তুলনা করে এই যন্ত্রটি পরিবর্তিত চিত্রকর্মটির আসল পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এর পরই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে চিত্রকর্মটি উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

প্রযুক্তির এই আধুনিক ব্যবহারের ফলে কেবল এই চিত্রকর্মটিই নয়, বরং গত কয়েকমাসে আরও বহু প্রাচীন নিদর্শন ও শিল্পকর্ম উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিশেষ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে তিন শতাধিক বড় চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য এবং লক্ষাধিক প্রাচীন মুদ্রা ও পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, যেসব শিল্পকর্মের চেহারা পরিবর্তন করা হয়েছে বা টুকরো করে বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। উদ্ধার হওয়া সেন্ট অ্যাগনেসের সেই ঐতিহাসিক ছবিটি পরে যথাযথ সম্মান ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তার নিজ ঠিকানায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

advertisement
advertisement

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

রাজনীতি ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গে বিভিন্ন বড় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে এই জোটে যুক্ত থাকার কারণে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা মন্থর হয়ে পড়েছে এবং একক দল হিসেবে নিজেদের পরিচিতি জনসমক্ষে কতটা জোরালো হচ্ছে, তা নিয়ে দলের ভেতর নানা আলোচনা চলছে। জোটের কর্মসূচির সুফল এককভাবে ঘরে তুলতে না পারার সংশয় থেকে দলের নীতিনির্ধারকেরা এখন নিজস্ব রাজনৈতিক কৌশল নতুন করে সাজানোর কথা ভাবছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় পৃথক রাজনৈতিক সত্তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে একটি গণবিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এনসিপি। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ সফল করতে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রচার কার্যক্রমে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা অংশ নিলেও সেখানে ১১-দলীয় জোটের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কোনো প্রচার চালানো হয়নি।

এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুরের লংমার্চ কর্মসূচিতে এনসিপির শীর্ষ নেতারা সশরীরে উপস্থিত থাকলেও আসন্ন খুলনা বিভাগীয় কর্মসূচিতে দলটির অংশগ্রহণ নামমাত্র বা প্রতীকী হতে পারে বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, আগের লংমার্চগুলোতে অংশ নিলেও এবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম হয়তো সরাসরি উপস্থিত থাকবেন না এবং তাঁর পরিবর্তে প্রতিনিধি হিসেবে শুধু সারজিস আলম খুলনা যেতে পারেন। জোটের কর্মসূচিগুলো সাধারণ মানুষের কাছে মূলত জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবেই বেশি পরিচিতি পাচ্ছে, যা এনসিপির নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দলের অনেকে মনে করছেন।

যদিও এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা ভাবছে, তবুও জোটের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ইতিমধ্যে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায় থেকে নাহিদ ইসলামকে খুলনার লংমার্চে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সম্প্রতি জোটের একটি বৈঠকেও তিনি অংশ নিয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত দলটি এই লংমার্চে কী ধরনের ভূমিকা পালন করবে, তা নিশ্চিত হতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে ঢাকা মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে স্বতন্ত্র অবস্থান তুলে ধরার জন্যই মূলত এই গণবিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং মহানগর কমিটি পুনর্গঠনের চাপের অংশ হিসেবেই এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে ১১-দলীয় জোটের লংমার্চের কোনো ধরনের বিরোধ বা দ্বন্দ্ব নেই।

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক

খেলা ডেস্ক: ভারতের আহমেদাবাদে চলমান কমনওয়েলথ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণ ও রক্ষণভাগে সমানতালে নিজেদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন তাঁরা। ফলে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়েই বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা।

আহমেদাবাদের বীর সাভারকর স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৭০-২০ পয়েন্টের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ৫০ পয়েন্টের এই বড় ব্যবধানের জয়টি টুর্নামেন্টে দলের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জয়ের ফলে কেবল সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়াই নয়, বরং টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একটি পদক অর্জনও একরকম নিশ্চিত হয়ে গেছে।

গ্রুপ পর্বের প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ দল। মোট পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই জয় তুলে নিয়েছে তারা। কানাডার বিপক্ষে ৬৭-২৮ পয়েন্টের বড় জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট মিশন শুরু করেছিল দল। এরপর সিঙ্গাপুরকে ৬০-২৮ এবং অস্ট্রেলিয়াকে ৬৯-৩১ পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করে তারা। একমাত্র হোঁচটটি এসেছিল কেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে।

চার জয়ে সংগৃহীত আট পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ বি থেকে টেবিলের শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর একটি হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপ থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি কেনিয়াও সেমিফাইনালে নিজেদের আসন পাকা করেছে। অন্যদিকে, গ্রুপ এ থেকে সেমিফাইনালে উন্নীত হয়েছে স্বাগতিক ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। এখন পদক জয়ের লড়াইয়ে পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো দল।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৪৮ কেন্দ্রের ফলে কে এগিয়ে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৪৮ কেন্দ্রের ফলে কে এগিয়ে

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৪৮ কেন্দ্রের ফলে কে এগিয়ে

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে বর্তমানে চলছে ভোট গণনার কাজ। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কার্যালয় থেকে এই আসনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও এখন সবার নজর রয়েছে বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফলের দিকে। স্থানীয় ভোটারদের মাঝেও এই নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো ১৮৫টি। এর মধ্যে প্রথম ধাপে মোট ৪৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ স্থগিত বা বাতিল হওয়ার মতো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল প্রস্তুত ও প্রকাশের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঘোষিত ৪৮টি কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি এই কেন্দ্রগুলো থেকে মোট ৫৫ হাজার ৪২৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৩১১ ভোট।

প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ১১৬ ভোটে। পুরো আসনের ফলাফল জানতে বাকি কেন্দ্রগুলোর গণনা শেষ হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে। শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী বিজয়ের মালা পরেন, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি ঠাকুরগাঁওয়ের দিকেই নিবদ্ধ রয়েছে।