খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

না ফেরার দেশে সাবেক বিসিবি পরিচালক ও ক্রীড়া সংগঠক মাহমুদ জামাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
না ফেরার দেশে সাবেক বিসিবি পরিচালক ও ক্রীড়া সংগঠক মাহমুদ জামাল

মাহমুদ জামাল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক ও প্রবীণ ক্রীড়া সংগঠক মাহমুদ জামাল আর নেই। শনিবার রাজশাহীতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। গত কয়েক বছর যাবৎ তিনি বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের অত্যন্ত পরিচিত মুখ মাহমুদ জামাল চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্রীড়া উন্নয়ন ও প্রসারে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাহী সদস্য হিসেবেও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মাহমুদ জামাল ২০০৫ ও ২০০৮ সালে দুই মেয়াদে বিসিবির পরিচালকের দায়িত্ব সামলান। সে সময় তাঁর সহকর্মী হিসেবে কাজ করা বর্তমান বিসিবি নারী উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে অনেক দিন কাজ করেছেন। অনেক ভালো ভালো কাজ করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য উনার অনেক অবদান আছে। এককথায় বললে উনি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রাজশাহীর ক্রিকেটের জন্যও অনেক কাজ করেছেন। আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসীব করেন।’ বর্ষীয়ান এই ক্রীড়া সংগঠকের মৃত্যুতে বিসিবি গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে। এদিকে ক্যানসারে আক্রান্ত পেসার হৃদয়ও মারা গেছেন।

advertisement
advertisement

ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা যখন এক গভীর সংকটের মুখে, তখন ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি পথগুলো বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। কৃষ্ণসাগর, দানিয়ুব নদী এবং স্থলপথ ব্যবহার করে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাইরে পাঠায় ইউক্রেন, যা বিশ্ববাজারের খাদ্য সরবরাহ সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এসব পরিবহন পথ, বন্দর, গুদাম এবং কৃষি অবকাঠামোয় পরিকল্পিত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এর ফলে কেবল বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তাই বিঘ্নিত হচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সারের দামেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে ইউক্রেনে ফসল কাটার মৌসুম শুরু হলেও পরিবহন অবকাঠামো ধ্বংসের কারণে প্রচুর শস্য ও তৈলবীজ দেশের ভেতরেই আটকা পড়ে আছে। এর ফলে গত বছরের তুলনায় দেশটির রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং আগামী মাসগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সংরক্ষণাগারের অভাবের কারণে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৯০ লাখ টনের বেশি কৃষিপণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে না পারলে আগামী মৌসুমে বীজ বপনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাবেন না, যা ভবিষ্যৎ উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।

বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দেশে গম দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত খাদ্যশস্য এবং এখানকার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে বিঘ্ন ঘটলে এবং প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলে সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশ সরাসরি মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যপণ্য আমদানির উচ্চ ব্যয়ের মুখে পড়ে। অতীতেও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় দেশের বাজারে গম ও গমজাতীয় খাবারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল।

বিশ্বের খাদ্যবাজারে ইউক্রেনের ঐতিহাসিক অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি বিশ্বের একটি বড় অংশের গম, ভুট্টা, যব ও সূর্যমুখী তেল সরবরাহ করত। বিকল্প স্থলপথ বা নদীপথ দিয়ে কিছু পরিমাণ পণ্য পাঠানো সম্ভব হলেও নিরাপদ সমুদ্রপথের বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং খাদ্যকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে দায়িত্বশীল দেশগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই বাণিজ্যিক জীবনরেখায় হামলা বন্ধ হলে তা কেবল ইউরোপ নয়, বরং বাংলাদেশের মতো দূরবর্তী দেশগুলোর খাদ্যনিরাপত্তাও সুরক্ষিত করবে।

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি আবাসন ব্যবস্থার নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে যেসব বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজেদের বাসা বা ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ বিষয়ে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ ভাড়াটেদের সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি পরিদর্শনের সময় কিছু বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাসায় সাবলেট বা অবৈধ ভাড়াটে রাখার বিষয়টি ধরা পড়ে। বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী সরকারি ফ্ল্যাট বা এর কোনো অংশ অন্য কারো কাছে ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু বরাদ্দপ্রাপক এই নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধার জন্য বাসাগুলো অন্যদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এর ফলে সরকারি আবাসন বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত চাহিদাবান ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জারি করা নির্দেশনায় আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি বাসস্থান থেকে সমস্ত অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট এই তারিখের পর যদি কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের আবাসন বরাদ্দ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিল করেই ক্ষান্ত হওয়া হবে না, বরং বিধিমোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি অভিযুক্ত কর্মচারীর অফিসপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হবে।

এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদেরও ইতিমধ্যেই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির অনুলিপি প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের উপপরিচালকদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার রোধ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো সাত দফা দাবিতে বড় ধরনের লংমার্চ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশের সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্য। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, প্রায় চারশো কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথপরিক্রমা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের বর্তমান বিভিন্ন নীতি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ জানাতে এই লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগের বিভিন্ন কর্মসূচির তুলনায় এই লংমার্চের পরিসর অনেক বড় এবং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, জনগণের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসের গণআন্দোলনে হাজারো মানুষ হতাহত হলেও এখনো অনেক দোষী ব্যক্তি আইনের আওতার বাইরে রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া দেশে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলা মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধানের দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য জনগণের মতামতকে সম্মান জানানোর ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে শুরু হয়ে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ পেরিয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই লংমার্চে প্রায় ১৯ জেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকেরা অংশ নেবেন। বিশাল এই বহরে দেড় হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রার কারণে মহাসড়কে চলাফেরা করা সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য জোটের পক্ষ থেকে আগে থেকেই দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রাপথে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ কমাতে গাড়ির বহর সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করবে এবং মহাসড়কের নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে একটি সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এরপর রাজধানী থেকে শুরু হওয়া গাড়ির বহরটি বিভিন্ন জেলা ও জনপদ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে সমাপনী জনসভার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। যাত্রাপথে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, ফুলতলা, যশোর ও ঝিনাইদহসহ মোট ছয়টি স্থানে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে যেখানে জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন। লংমার্চে অংশ নেওয়া সব নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, যাত্রাপথে কোনো ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান বা প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে এমন কোনো আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।